বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ জুলাই ২০১৭

রসায়ন বিভাগ

ভূমিকা

রসায়ন বিভাগের বিজ্ঞানীরা সুদীর্ঘ চার দশকের অধিক সময় ধরে বিভিন্ন পদ্ধতির উন্নয়ন ও বিকাশ সাধনের মাধ্যমে বিভিন্ন নমুনায় ট্রেস-মৌল, আল্ট্রাট্রেস-মৌল (বিষাক্ত এবং প্রয়োজনীয় উভয়ই) এবং বিষাক্ত জৈবযৌগের বিশ্লেষণধর্মী গবেষণায় নিয়োজিত আছেন। মানবেদেহ ও পরিবেশের উপর এসকল উপাদান ও যৌগের কি প্রভাব তা জানার লক্ষ্যে বর্তমান বিশ্বে গবেষণা কার্যক্রম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমতাবস্থায়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে রসায়নশাস্ত্রের সুনির্দিষ্ট কিছু শাখা যেমন পরিবেশ দূষণ, খাদ্য দুষণ, মানব স্বাস্থ্য, পুষ্টি , দূষণ-প্রতিক্রিয়া, মৌল বিশ্লেষণে নিউক্লিয়ার এনালাইটিক্যাল কৌশল এবং শিল্পে ট্রেসার টেকনোলজির ব্যবহার প্রভৃতিতে রসায়ন বিভাগের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও রসায়ন বিভাগ সমন্বিত গবেষণা কার্য্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশেষ মঞ্জুরী কর্মসূচী ও মোস্ট এর আওতায় আই.এইএ/আরসিএ কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে।

 

লক্ষ্য/ উদ্দেশ্য

এই বিভাগের উদ্দেশ্য হল গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিশেষভাবে পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসম্পৃক্ত পরিবেশগত বিশ্লেষন

  •  মৌলের সামান্যতম অংশ পরিমাপের জন্য নিউক্লিয়ার কৌশলের উন্নতি সাধন।
  • বাংলাদেশের বায়ুর গুনগত অবস্থা নিরূপণের মাধ্যমে আঞ্চলিক বায়ুদূষণ পর্যালোচনা করা।
  • ভূগর্ভস্থ, ভূপৃষ্টস্থ ও মিউনিসিপালিটির পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরবরাহকত পানীয় জলে উপস্থিত বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদানের পরিমান নিরূপনের মাধ্যমে পাণীয় জলের গুনগত মান পর্যলোচনা করা
  • পরিবেশগত এবং প্রাণীজ নমুনায় মৌলের যে কোনও পরিমাণ উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির উন্নতি সাধন।
  • বেস লাইন ডাটা তৈরির লক্ষ্যে রূপপুর পারমানবিক বিদুৎ প্রকল্প এলাকার পরিবেশগত বিভিন্ন পদার্থ যেমন মাটি, পানি, নদীর তলানী, মাছ, জলজ উদ্ভিদ ও শাকসবজি পর্যালোচনা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষন করা।
  • মানব স্বাস্থ্যে ধাতব মৌলের ভূমিকা এবং বিভিন্ন ধরণের রোগের সাথে এদের আন্ত:সম্পর্কীয় গবেষণা
  • পুষ্টিগুণ, বিষক্রিয়া যাচাই এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য মানবদেহের বিভিন্ন অংশ যেমন রক্ত, ফ্লুইড, টিস্যু, চুল ও নখ ইত্যাদিতে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক মৌলের পরিমাণগত বিশ্লেষণ।
  • খাদ্যে বিষক্রিয়া সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে বিভিন্ন ধরণের খাদ্যদ্রব্যে দূষকের বিশ্লেষণিক ফলাফল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ
  • ণ্যানোমেটারিয়াল এবং স্বল্পমূল্যের পোষক ব্যবহার করে পরিবেশ থেকে ক্ষতিকর মৌল অপসারণ
  • সামুদ্রিক পরিবেশ বিশেষ করে সমুদ্রের অম্লতা বৃদ্ধির উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সংক্রান্ত গবেষণা
  • সামুদ্রিক ইকোসিস্টেমের উপর প্রাকৃতিক ও মানব কর্মকান্ডের প্রভাব যাচাইকরণ
  • শিল্পে ট্রেসার টেকনোলজির ব্যবহার।
  • পরিবেশগত এবং প্রাণীর নমুনায় ক্ষতিকর জৈব যৌগের অনুসন্ধান করা।
  • সেচ করার জন্য তরল বর্জ্যের উপযোগিতা যাচাইকরণ।
  • ক্ষতিকর বিষাক্ত মৌলসমূহের দ্বারা খাদ্যদ্রব্য দূষণের কারণে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি পর্যালোচনা।
  • জলীয় পদার্থের ইলেকট্রোলাইসিসের জন্য ব্যবহৃত স্বল্প মূল্যের অবস্থান্তরিত ধাতব ইলেকট্রোডের তড়িৎ রাসায়নিক পর্যালোচনা।

 

গবেষণা কার্যক্রম
বায়ু দূষণ পর্যালোচনা

  • বায়ুর নমুনায় ব্ল্যাক কারুনের বিশ্লেষণ।
  • বায়ুর নমুনায় পিএম ২.৫ এবং পিএম ১০ নিয়মিত পর্যাবেক্ষন।
  • জলীয় নমুনার আয়নিক বিশ্লেষণ।

পানীয় দূষণ পর্যালোচনা

  • বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য এবং পরিবেশগত ও প্রাণীজরোগ নির্ণয়ে সরবরাহকৃত নমুনায় ট্রেস/ভারী মৌলের বিশ্লেষণ।
  • মিউনিসিপালিটির পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত পানীয় জলের মধ্যে উপস্থিত জীবন ধ্বংসকারী অনুজীব এবং মক্যান্সার সৃষ্টিকারী জৈব যৌগ উইচ  এর মাত্রা নিরূপন
  • ফিজিকো-কেমিক্যাল ও জিও-কেমিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের পানীয় জলের গুণগত মান পরীক্ষা করা।
  • দূষণ মাত্রা (বিশেষত খাদ্যদ্রব্যে) নির্ণয়ের মাধ্যমে এর স্বাস্থ্য ঝঁকি পর্যালোচনা।
  • দেশের বিভিন্ন নদীসমূহের দূষণমাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা।

নিউক্লিও-বিশ্লেষণীয় ও পরিবেশে সম্পর্কিত রসায়ন

  • ভেলিডেটেড এবং এক্রিডেটেড পরীক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার কওে খাদ্য, পানি, পরিবেশগত ও জৈব নমুনায় প্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক মৌলের পরিমাণ নির্ণয়, রোগ নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে মানব-মুত্র, রক্তের জলীয় অংশ, চুল, নখ ইত্যাদি নমুনায় ভারী মৌলের উপস্থিতি ও পরিমাণ নির্ণয়
  • ন্যানোমেটেরিয়ালের সংশ্লেষণ এবং পরিবেশে বিভিন্ন ধরণের দূষক দূরীকরণে এদের ব্যবহার
  • বিভিন্ন ধরনের মানব খাদৌ ভারী ধাতুর পরিমান নির্ণয় এবং মানব স্বাস্থ্যেও উপর এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ
  • পরিবেশগত ও জৈব নমুনায় আসিপি পদ্ধতিতে অতি সুক্ষমাত্রায় তেজষ্ক্রিয় মৌলসহ অন্যান্য ভারী ধাতুর উপস্থিতি ও পরিবেশের উপর এদেও প্রভাব নির্ণয়
  • জলীয় নমুনায় বিভিন্ন আয়নিক ও ফিজিক্যাল প্যারামিটার বিশ্লেষণ।
  • পরিবেশের বিভিন্ন নমুনায় উপস্থিত ক্ষতিকর ভারী মৌলের পরিমান নির্ণয় এবং ক্ষতিকর মৌলের কারণে পরিবেশগত ও মানুসের স্বাস্থ্য ঝুঁকি মুল্যয়ন

জৈব রসায়ন

  • পরিবেশগত নমুনায় বহুচক্রীয় সুগন্ধি হাইড্রোকার্বন ও খনিজ হাইড্রোকার্বনের বিশ্লেষণ (উদাহরণঃ মাটি, পানি, শাকসবজি ইত্যাদি)
  • পরিবেশগত ও প্রাণীজ নমুনায় ফেনল ও ফেনল জাতক বিশ্লেষণ
  • পরিবেশগত নমুনা পানিতে এন্টিবায়োটিকের (সেফালোসপরিন ও পেনিসিলিন) বিশ্লেষণ
  • পরিবেশগত নমুনায় কিছু ক্লোরো-কম্পাউন্ডের এবং প্রকৃতিগত পন্যে প্রয়োজনীয় তৈলের বিশ্লেষণ।

তড়িৎ রসায়ন

  • পানি , মাটি, কঠিন শিলার মধ্যে বিষাক্ত উপাদান এবং রেডিও নিউক্লাইড নির্ণয়।
  • ধাতু-জৈব জটিল যৌগের বৈশিষ্ট্য নিরূপণ।
  • তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে অবস্থান্তরিত সংকর ধাতুর ইলেকট্রোড দ্বারা জ্বালানি হাইড্রোজেন উৎপাদন।

 

সেবা প্রদান

রসায়ন বিভাগ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প, এন.জি. ও হাসপাতাল, ক্লিনিক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহকৃত নমুনা বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে সেবা প্রদান করে থাকে। রসায়ন বিভাগে সেবার গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে প্রধানতঃ নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর সেবা প্রদান করা হয়ঃ

  • খাদ্যদ্রব্য, পরিবেশগত ও প্রাণীজ নমুনা এবং চিকিৎসার্থে সরবরাহকৃত নমুনায় বিভিন্ন মৌলের নূন্যতম উপস্থিতির পরিমাপ।
  • পানির বিভিন্ন ভৌত ও রাসায়নিক সূচক নির্ণয়।
  • পানিতে আর্সেনিক, বিষাক্ত উপাদান এবং জীবাণুশক ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট উপজাত নির্ণয়।
  • খাদ্য দ্রব্য, রপ্তানিযোগ্য মিঠা পানির মাছ ও চিংড়িতে ভারী মৌল নির্ণয়।
  • শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল এবং শিল্পজাত পর্ণ যেমনঃ ঔষধ, অকটেন বুস্টার, সার, প্লাস্টিক দ্রব্যাদি, ইস্ট পাউডার, মুরগী ও পশুখাদ্য ইত্যাদিতে, ভারী মৌলের উপস্থিতি নির্ণয়।
  • ক্রিমের মধ্যে মারকারি।
  • পানিতে ফেনল এবং ফেনলজাত যৌগ।
  • পানি ও মাছে বিষাক্ত বহুচক্রীয় সুগন্ধি জৈব যৌগ যেমন এনথ্রাসি, ফিন্যানলিন, পাইরিন , ফ্লুরিক ও বেনজো-পাইরিন ইত্যাদি।
  • প্রকৃতিগত বিভিন্ন পণ্যের জৈব বিশ্লেষণ।
  • স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক এবং অলংকারের খাঁটিত্ব পরীক্ষা।
  • রোগ নির্ণয়ে মূত্রে কপার, মানব চুলে আর্সেনিক, রক্তের জলীয় অংশে কপার ও জিংক রক্তে সীসা এবং নখে সেলিনিয়াম নির্ণয়।
  • শিল্প এলাকার পাটিকুলেট ম্যাটার, লেড, আর্সেনিক  ও এসিড মিস্ট পরিমাপ।

শিক্ষা-বিষয়ক কার্যক্রমঃ

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে রসায়ন বিভাগের সহযোগিতামূলক কর্মসূচীর সুন্দর ধারাবাহিকতা বিদ্যমান রয়েছে। রসায়ন বিভাগের নিজস্ব গবেষণা সুবিধা এবং তত্ত্বাবধানে এসব বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীরা তাদের এম.এস-সি/এম.ফিল/এম.ডি/পি-এইচ.ডি/এফ.সি.পি.এস ইত্যাদি ডিগ্রির জন্য গবেষণা করে থাকেন।

 

অর্জিত সাফল্য

  • এই বিভাগের এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি ২০১৫ সনে Acreditation Certificate  অর্জন করেছে যার ফলে এ ল্যাবের এনালাইসিস রির্পোট আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
  • এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি বাংলাদেশের একমাত্র ল্যাবরেটরি যেখানে উইলসন রোগ নির্ণয়ের Diagnosis সেবা প্রদান করা হয়।
  • এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ গত এপ্রিল ২০১৭ সুনামগঞ্জ জেলার হাওড় এলাকার জলজ প্রাণির ব্যাপক প্রাণনাশের কারণ তেজষ্ক্রিয় মৌলসহ অন্যান্য ক্ষতিকর মৌলের উপস্থিতি জনিত কারণে নয়, তা নিশ্চিত করেন
  • রপ্তানীযোগ্য মৎস ও মৎস্যপণ্যের QA/QC  সনদ এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি প্রদান করে থাকে।
  • এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ আমদানীকৃত সর্বাধিক ভোগ্য কিছু প্রজাতির মাছের মধ্যে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ভারী ধাতব মৌলের অতি মাত্রার উপস্থিতি ও পরিমাণ নির্ণয়পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
  • উইলসন রোগ নির্ণয়ে সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে  এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ একটি বিকল্প পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যার মাধ্যমে আরও সঠিক, দ্রুত ও তাৎক্ষণিকভাবে রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে।
  • এনাল্যাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ Rapid Action Battalian (RAB) কর্তৃক প্রেরিত কিছু ফেয়ারনেস ক্রীমে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন যরি ফলে সরকার সেসব ফেয়ারনেস ক্রীম বাজারজাত করা নিষিদ্ধ করেন
  • Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ স্বর্ণ ও রৌপ্য পদকের খাঁটিত্ব  Non-destructive Nuclear Method ব্যবহার করে প্রায় ৪০ বৎসর যাবৎ করে আসছে। বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ও অন্যান্য সংস্থা গুলো এই সেবা গুলি নিয়ে থাকে।
  • মানবদেহে মাথার চুলে আর্সেনিকের মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে  ‘আর্সেনোকোসিস’  রোগের  Diagnosis এর ক্ষেত্রে Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরিতে সারাদেশে ভূমিকা পালন করছে।
  • বিজ্ঞানীবৃন্দ স্বর্ণ ও রৌপ্যপদকে খাঁটিত্ব নির্ণয়ে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছে যার ফলশ্রুতিতে ‘ইন্দিরা গান্ধী স্বাধীনতা সম্মাননা ক্রেষ্ট’, মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা ক্রেষ্ট’, মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা ক্রেষ্ট ২০১৭ এই গবেষণাগারেই পরীক্ষা করা হয়।
  • রূপপুর পারমানবিক চুল্লী প্রকল্প এলাকার মাটি, নদীর তলানী, নদীর পানি, ভূ-গর্ভস্থ পানি, শাকস্বজি এবং মাছের নমুনার Base-line data  তৈরী এই বিভাগের Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীগণ গবেষণার দ্বারা প্রণয়ন করেন।
  • বায়ুতে বিদ্যমান বস্তকনা এবং এর উৎস নিরূপণ এ বিভাগের একমাত্র Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরিতে হয়ে থাকে।
  • ভূ-গর্ভস্থ  পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি এ বিভাগের বিজ্ঞানীবৃন্দ পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।
  • Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম বাতাসে সীসার উপস্থিতি নিরূপন করেন যার ফলস্রুতিতে বর্তমানে Unleaded Gasoline আমদানি হচ্ছে।
  • এ বিভাগের বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম বাতাসে অতিরিক্ত বস্তুকণা ও কালো কার্বনের উপস্থিতি নিরূপন করেন যার ফলশ্রুতিতে মোটর যানে CNG ব্যবহার হচ্ছে।
  • মানবদেহের রক্তের নমুনায় সীসার মাত্রা নিরূপণের পদ্ধতি উদ্ভাবন যার মাধ্যমে অটিজমের সম্পৃক্তকরন” Atmospheric and Environment Chemistry ল্যাবরেটরির একটা বিরাট সাফল্য।
  • চিটাগাং মেট্রোপলিটন পুলিশ হতে প্রেরিত ”ঘন চিনির”নমুনায় জৈব রসায়ন গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী সোডিয়াম সাইক্লামেটের উপস্থিতি নির্ণয় সংক্রান্ত গবেষণা করেন।
  • গুড়া দুধের নমুনা পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে ম্যালামাইন এর পরিমান নির্ধারন।

 

 

ট্রেসার টেকনোলজি


Share with :