বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ অক্টোবর ২০১৮

সেন্টার ফর রিসার্চ রিঅ্যাক্টর

ডঃ খন্দকার অাসাদুজ্জামান। তারিখঃ- ০৮-১০-২০১৮

ভূমিকা

তিন মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ট্রিগা মার্ক-২ (TRIGA: Training Research Isotope prooduction, General Atomics) গবেষণা রিঅ্যাক্টরটি আশির দশকের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল এটমিকস কোম্পানীর নিকট হতে ক্রয় করে সাভারস্থ পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হয়। এটি দেশের একমাত্র পারমাণবিক চুল্লি এবং অন্যতম স্থাপনা। ১৯৮৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর criticality অর্জনের মাধ্যমে রিঅ্যাক্টরটির চালনা শুরু হয়। সেন্টার ফর রিসার্চ রিঅ্যাক্টর (সিআরআর)-এর প্রকৌশলী/বিজ্ঞানীগণ প্রায় তিন দশক ধরে সুষ্ঠুভাবে রিঅ্যাক্টরটি চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কাজ সম্পাদন করে আসেছেন। গবেষণা রিঅ্যাক্টরটি রেডিওআইসোটোপ উৎপাদন, বিভিন্ন গবেষণা ও ‍উন্নয়ন কার্যক্রম যেমন-নিউট্রন এ্যাকটিভেশন এ্যানালাইসিস, নিউট্রন রেডিওগ্রাফি, নিউট্রন স্ক্যাটারিং, শিক্ষা এবং জনবল প্রশিক্ষণ, ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের একমাত্র পারমাণবিক চুল্লিটি ব্যবহার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ তাদের একাডেমিক শিক্ষা-কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। রিঅ্যাক্টর চালানোর অভিজ্ঞতা এবং লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সিআরআর-এর প্রকৌশলী/বিজ্ঞানীগণ চলমান রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ দেশের নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যথেষ্ট ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। গবেষণা রিঅ্যাক্টর এবং এইআরই-র নিউক্লিয়ার সেফগার্ডস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে সিআরআর প্রতি বছর আইএইএ-তে প্রেরণ করে থাকেন। উল্লেখ্য যে, নিউক্লিয়ার সেফগার্ডস সংক্রান্ত কার্যক্রম সেন্টার ফর রিসার্চ রিঅ্যাক্টর নির্ভূলভাবে এবং সঠিক সময়ে সম্পাদন করার ফলে আইএইএ বাংলাদেশকে ২০০৭ সালে ইনট্রিগেটেড সেফগার্ডস এর অন্তর্ভূক্ত করে।

 

২। বিএইসি ট্রিগা গবেষণা রিঅ্যাক্টরের বর্ণনা

রিঅ্যাক্টর

বিএইসি ট্রিগা গবেষণা রিঅ্যাক্টরটি সর্বোচ্চ ৩ মেগাওয়াট তাপীয় ক্ষমতায় চালানো যায়। এছাড়া পালস মোডে অল্প সময়ের জন্য ৮৫২ মেগাওয়াটে চালানো সম্ভব। রিঅ্যাক্টরটিকে তিনটি মোডে চালানো যায়-(1) Steady state mode, (2) square wave mode এবং (3) pulse mode। Steady state mode-এ আবার দুইভাবে চালানো যায় –(1) Natural Convection Cooling Mode (NCCM) এবং (2) Forced Convection Cooling Mode (FCCM)। ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা পর্যন্ত NCCM মোডে চালানো যায়। ৫০০ মেগাওয়াট এর বেশি ক্ষমতায় চালান